মোবাইল নম্বর বা ইমেইল দিয়ে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে প্রবেশ করুন। আপনার ব্যালেন্স, বোনাস ও গেমের ইতিহাস সব প্রস্তুত আছে।
666c-এ প্রবেশ করা একদম সহজ, কিন্তু কিছু বিষয় জানা থাকলে অভিজ্ঞতাটা আরও নিরঝঞ্ঝাট হয়। লগইন করতে নিবন্ধনে দেওয়া মোবাইল নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লাগবে। দুটোর যেকোনো একটি দিয়েই ঢোকা যাবে — যেটা মনে থাকে সেটাই ব্যবহার করুন।
অনেকেই মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ সেটা বেশি সহজে মনে থাকে। ইমেইল দিয়েও লগইন করা যায় — দুটো পদ্ধতিই সমানভাবে কাজ করে এবং একই অ্যাকাউন্টে নিয়ে যায়।
"এই ডিভাইসে মনে রাখুন" বিকল্পটি চালু রাখলে পরের বার লগইনে তথ্য আবার টাইপ করতে হবে না। তবে অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারেন এমন শেয়ারড ডিভাইসে এই অপশন না রাখাই ভালো। নিজের ব্যক্তিগত ফোনে এটা চালু রাখা বেশ সুবিধাজনক।
যদি 2FA চালু করা থাকে, লগইনের পরে মোবাইলে একটি OTP আসবে — সেটা দিলেই সম্পূর্ণভাবে প্রবেশ হবে। এটা একটু বেশি সময় নেয়, কিন্তু অ্যাকাউন্টকে অনেক বেশি নিরাপদ রাখে। 666c সবসময় 2FA চালু রাখার পরামর্শ দেয়।
লগইন করতে সমস্যা হলে ঘাবড়াবেন না। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে "পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন" লিংকে ক্লিক করুন — নিবন্ধিত মোবাইলে OTP পাঠানো হবে এবং নতুন পাসওয়ার্ড সেট করা যাবে। অ্যাকাউন্ট লক হয়ে গেলে সাহায্য কেন্দ্রে বাংলায় চ্যাট করুন, দ্রুত সমাধান দেওয়া হবে।
পাসওয়ার্ড বা মোবাইল নম্বর ভুলে গেলেও চিন্তার কিছু নেই — 666c-এ তিনটি উপায়ে অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়া যায়।
অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা মানে পুরো 666c প্ল্যাটফর্ম হাতের মুঠোয়।
অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে অনেকেই উদ্বিগ্ন — এটা সঠিক উদ্বেগ। 666c এই উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েই লগইন সিস্টেম ডিজাইন করেছে। প্রতিটি লগইন প্রচেষ্টা লগ করা হয় — কোন ডিভাইস থেকে, কোন আইপি থেকে, কখন। অস্বাভাবিক লগইন শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।
পাঁচবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে লক হয়ে যায়। এটা বিরক্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু এই ব্যবস্থাটা আপনার অ্যাকাউন্টকে স্বয়ংক্রিয় পাসওয়ার্ড অনুমান হামলা থেকে রক্ষা করে। লক হলে ১৫ মিনিট পর আপনা-আপনি খুলে যায় অথবা সাপোর্টে বললেও দ্রুত সমাধান করা হয়।
666c-এ HTTPS সংযোগ বাধ্যতামূলক — সাধারণ HTTP দিয়ে সংযোগের চেষ্টা করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপদ HTTPS-এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মানে হলো আপনার লগইন তথ্য এনক্রিপ্টেড আকারে যায় — মাঝপথে কেউ দেখতে পাবে না।
নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আপনার পক্ষ থেকেও কিছু করার আছে: শক্তিশালী পাসওয়ার্ড রাখুন, 2FA চালু রাখুন, পাবলিক ওয়াই-ফাইতে লগইন করা এড়িয়ে চলুন এবং লগইনের পরে কাজ শেষ হলে লগআউট করুন। এই ছোট অভ্যাসগুলো অ্যাকাউন্টকে অনেক বেশি নিরাপদ রাখে।
ওয়েবসাইট বা অ্যাপ — যেকোনো জায়গা থেকে একইভাবে কাজ করে।
নতুন সদস্য হলে এই কাজগুলো আগে করে নিন।
বয়সসীমা ও মোবাইল অ্যাপ নিয়ে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয় এমন প্রশ্নের উত্তর।